যুগের পরিবর্তনে কৌশল

পুরো পৃথিবীর এ পর্যন্ত যতদিন চলছে তাকে ৩ টা যুগে ভাগ করা হয়েছে।

১. এগ্রিকালচার যুগ : আগেকার দিনের প্রভাবশালীদের আমরা কি বলতাম মনে আছে না? জমিদার, কি ঠিক তো?
জি এটাই ঠিক, যাদের জমি ছিল সবথেকে বেশি এবং তারা এগুলোতে চাষাবাদ করতো, ফসল ফলাতো, বিক্রি করতো কিংবা বিনিময় নিতো এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে। আর তখনকার সময় সবাই চাষাবাদের সিস্টেম জানতো না, যার কারনেই রাজা কিংবা জমিদার আর প্রজা কিংবা হাবিলদারদের এত ভ্যারিয়েশন ছিল অর্থাৎ রাজতন্ত্র ছিল। আগেকার দিনকে এগ্রিকালচার যুগ এজন্যই বলা হতো।

২. ইন্ড্রাষ্ট্রিয়াল যুগ : যখন চাষাবাদ সম্পর্কে মোটামুটি অনেকেই জানতো, ঠিক এরপরই ডাইভার্ট হতে থাকলো ফ্যাক্টরি বা কারখানার দিকে। প্রথম যুগে যখন চাষাবাদ চলছিল তখন মানুষ চিন্তা করলো কিভাবে প্রসেসিং করে চাষাবাদকে দ্রুত বৃদ্ধি করা যায় একই সময়ে, একই জমি দিয়ে যার ফলে মেশিনারিজের আবিস্কার হতে থাকলো। বিভিন্ন আইটেমের মেশিনারিজ তৈরি হতে লাগলো। ফ্যাক্টরি জন্মাতে থাকলো, এভাবেই ইন্ডাষ্ট্রিয়াল যুগের যাত্রা শুরু হয়।

৩. তথ্যের যুগ : বর্তমান যুগকে বলা হয় তথ্যের যুগ। কেউ কেউ তো বলছেন তথ্য অনেকটা এ যুগের জন্য জ্বালানী তেল। যা বিক্রি করে কিংবা ব্যবহার করে আরবীয় দেশগুলো ধনী হয়েছে।

মো. নাঈম হোসেন
ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, ঢাকা দক্ষিন।

ডিরেক্টর, আইটি ও মিডিয়া
গ্রীন ফ্যামিলি লি.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top